০৪-এপ্রিল-২০২৫
০৪-এপ্রিল-২০২৫
Logo
রংপুর

গরীবের পেট কি আর ঠান্ডা বোঝে ভাই

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রকাশিতঃ ২০২৪-০১-২৪ ১৬:২৭:১৬
...

নূর-ই-আলম সিদ্দিক, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)
পৌষ পেরিয়ে মাঘের কাক ডাকা ভোর। আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে উপজেলার চারিদিকে তখন হীম কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জুবুথুবু প্রকৃতি- স্থবির জনজীবন। এমন বিরূপ আবহাওয়ার সাথে পাঞ্জা দিয়ে পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগাতে মাঠে নেমেছে নিন্ম আয়ের শ্রমজীবী হতদরিদ্র মানুষগুলো।

তাদের একজন আলতাফ,বাড়ি উপজেলার বল্লভেরখাস ইউনিয়নের মোল্লা পাড়ায়। ২ সন্তানের জনক আলতাফ হোসেন সেই ভোর বেলায় কাজে নেমেছেন পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগাতে। মাঠেই কাজরত অবস্থায় দেখা হল তার। এতো সকালে ঠান্ডার মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেন কাজ করছেন এমনটি জানতে চাইলে চোখ তুলে তাকান এ প্রতিবেদকের দিকে।

হালকা শীতের পোশাকে দুচোখের চোখের পাপড়িগুলো তার ঘনকুয়াশায় ভেজা। দুহাতে ভেজা ইরি চারা তুলতে তুলতে একটা হতাশার নিশ্বাস ছেড়ে বললেন- পেটে কি আর ঠান্ডা বোঝে ভাই, গরীবের কপাল আমার, কাজ করলে পেটে ভাত - না করলে নাই! আলতাফের মতো এমন অনেক আলতাফ রয়েছ নদীবেষ্টিত নাগেশ্বরী চরাচঞ্চলসহ পাড়া-গ্রামে। শৈতপ্রবাহের এমন বিরূপ প্রকৃতিতে তাদের সাহায্যার্থে সরকারি, বেসরকারি কিংবা সমাজের বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে তাদের জীবন-জীবিকা একটু স্বস্থির হতো বলে জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন শৈত্য প্রবাহের এমন পরিস্থিতিতে উপজেলার শীতার্তদের মাঝে ৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
কুড়িগ্রামের আবহাওয়া অফিসের কৃষি ও আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন- জানুয়ারী মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।