১৪-জুলাই-২০২৪
১৪-জুলাই-২০২৪
Logo
চট্রগ্রাম

প্রশাসনরে আদেশ অমান্য করে গণপূর্তের শত কোটি টাকার জায়গায় চলছে মার্কেট নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিতঃ ২০২৩-০৯-১৭ ১৬:০০:৪৪
...

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর মাইজদীতে জেলা প্রশাসনরে আদশে অমান্য করে গণপূর্ত বিভাগের শতকোটি টাকার সরকারি জায়গায় মার্কেট নির্মাণের কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ কাজ বাস্তবায়নে তদারকি করছে নোয়াখালী ক্ষুদ্ধ হকার্স  সমবায় সমিতি লিমিটেডেরে সভাপতি একরাম উল্যাহ।   
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জেলা শহররে হকার্স মার্কটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদরে পুনর্বাসনের নামে নোয়াখালী সুপার মার্কেটেরে পশ্চিম পাশে সরকারি জায়গা অবধৈভাবে দখল করে এ নির্মাণ  কাজ চলছ।

স্থানীয়দরে সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত সোমবার সন্ধ্যায় গণর্পূত বিভাগরে জায়গায় অবৈধ মার্কেটে নির্মাণের খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনরে পক্ষ থেকে ভ্রাম্যামাণ আদালতের একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। তাদেরকে দেখে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ওই সময় নির্মাণ  কাজের শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তারা চলে আসার পর পুনরায় গত দুদনি চলছে নির্মাণ কাজ। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ছত্র ছায়ায় প্রশাসনের কোনো অনুমতি না নিয়ে জেলা শহরের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড প্রধান সড়করে পূর্ব পাশে গণর্পূতরে খালি জায়গা অবধৈভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ  কাজ চালানো হচ্ছে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী ক্ষুদ্ধ হকার্স সমবায় সমিতি লিমিটেডেরে সভাপতি একরাম উল্যাহ ডিপটি বলেন, এ কাজ আমি তদারকি করছি সত্য। গতকাল প্রেসক্লাবে বসে সবাইকে জানিয়েছি।জেলা পরিষদের  চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু ভাই সহ বসে সকল সাংবাদিককে অবহিত করা হয়েছে। এটা নিয়ে আপনি  চেয়ারম্যান আর মেয়রের  সাথে কথা বলনে।  

নোয়াখালী গণর্পূত বিভাগের নির্বার্হী প্রকৌশলী সাদ মোহাম্মদ আন্দালিব বলেন, সেখানে গণর্পূতরে ৬৫ শতক জায়গা রয়েছে। গত সোমবার এ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।  তারা পুনরায় বন্ধের দিনে কাজ করছে। আমাদেরতো সব সময় সেখানে বসে থাকা সম্ভব না।  তবে এ অবৈধ স্থাপনা গুটিয়ে দেওয়া হবে।  

নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বলেন, গত কালকে আমরা প্রেসক্লাবে সবার সাথে বসছি। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  তবে এটা কোনো জবর দখল নয়। এটা গণর্পূতও দেয়নি জেলা প্রশাসনও দেয়নি  তারা আপাতত কয়কে মাসের জন্য সেোনে ব্যবসাটা করবে।  তারপর তারা আবার তাদের নিজের জায়গায় চলে যাবে।  

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, কাজের শুরুতে সেখনে বাধা দেওয়া হয়েছে।  কাজ করলে পুনরায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।